ট্রাম্পকে ফোন পাক সেনাপ্রধানের! ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ থামাতে কি তবে ইসলামাবাদই তুরুপের তাস

ইরান, আমেরিকা ও ইসরায়েলের মধ্যে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘাত থামাতে এবার বিশ্বমঞ্চে ত্রাণকর্তার ভূমিকায় পাকিস্তান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের দীর্ঘ টেলিফোনিক কথোপকথন ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। অন্যদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসাউদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গেও যোগাযোগ বজায় রাখছেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
মধ্যস্থতার এই দৌড়ে ইসলামাবাদ কতটা সফল হবে তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও, ট্রাম্পের সঙ্গে আসিম মুনিরের পুরনো সুসম্পর্ক এই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের দাবি অনুযায়ী, হোয়াইট হাউসের কর্তাদের সঙ্গে ইরানি প্রতিনিধিদের একটি বৈঠক পাকিস্তানের কোনো শহরে হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
আলোচনার মূল বিষয়বস্তু
- যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব: পাকিস্তান সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসতে আগ্রহী।
- ট্রাম্পের অবস্থান: পাকিস্তানের এই প্রস্তাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন বলে খবর। এমনকি জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা ৫ দিনের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
- আভ্যন্তরীণ চাপ: পাকিস্তানে ইরানপন্থী জনরোষ সামাল দিতে এবং কূটনৈতিক ইমেজ বাড়াতে এই উদ্যোগকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে শরিফ সরকার।
তবে চিরশত্রু ইসরায়েল কিংবা খামেনি-পরবর্তী ইরান এই মধ্যস্থতায় শেষ পর্যন্ত কতটা সায় দেবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে সংশয় কাটেনি। ১,৩৪০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু এবং মধ্যপ্রাচ্যের চরম অস্থিরতার মাঝে পাকিস্তানের এই ‘শান্তি মিশন’ সফল হলে তা হবে দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে এক বিরাট মাইলফলক।