ট্রাম্পের অভিযানে কতটা ভাঙল ইরান আর কতটাই বা মাশুল গুনল আমেরিকা

আমেরিকা ও ইরানের ১১ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে দুই পক্ষই চরম ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। তেহরানের পরমাণু কেন্দ্র ধ্বংস ও শাসন ক্ষমতা বদলের লক্ষ্য নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযান শুরু করলেও তা এখনও অধরা। উল্টে মোজতবা খামেনেই ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন এবং হোর্মুজ প্রণালী বন্ধ করে বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে ইরান। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সামরিক আধিপত্য ও সরবরাহ ব্যবস্থা বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
পাল্টা আক্রমণে ইরানও মার্কিন সামরিক শক্তির ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে। কাতার ও জর্ডানে মোতায়েন করা দামী থাড (THAAD) ডিফেন্স সিস্টেম ও যুদ্ধবিমান ধ্বংস হওয়ায় ওয়াশিংটনের প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকার বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। যদিও ইরানের আইআরজিসি (IRGC) ঘাঁটি ও ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবুও সৌদি আরব ও কুয়েতের মতো দেশগুলো থেকে মার্কিন সেনা ঘাঁটি সরানোর পরিস্থিতি তৈরি হওয়া ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এক বড় কূটনৈতিক ও সামরিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।