ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিকে ‘নির্বোধের কাজ’ বলে কটাক্ষ ইরানের, পাল্টা চরম উত্তেজনার হুঙ্কার তেহরানের

শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহণ স্বাভাবিক করতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ১০ দিনের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানাল ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্টের বেঁধে দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমাকে ‘অসহায় ও ভারসাম্যহীন’ আচরণ বলে উল্লেখ করেছেন ইরানের জেনারেল আলি আবদোল্লাহি আলিয়াবাদি। ট্রাম্পের হুমকির জবাবে তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে যে, ওয়াশিংটন কোনো উস্কানিমূলক পদক্ষেপ করলে তার ফল হবে ভয়াবহ।
সেনা সদর দফতরের প্রতিনিধি আবদোল্লাহি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ট্রাম্পের এই আগ্রাসন আদতে তাঁর মরিয়া মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ। আমেরিকার বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো আক্রমণ করা হলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বিধ্বংসী হামলা চালানোর সংকল্প নিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি, জাতীয় সম্পদ ও পরিকাঠামো রক্ষায় তারা বিন্দুমাত্র পিছুপা হবে না এবং আমেরিকার জন্য ‘নরকের দ্বার’ উন্মোচন করতে দ্বিধা করবে না।
এর আগেও একাধিকবার সময়সীমা বেঁধে দিয়েও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় ট্রাম্পের বার্তাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে না ইরান। অন্যদিকে, দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তানসহ বিভিন্ন পক্ষ মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে তেহরানের কঠোর অবস্থান এবং ওয়াশিংটনের অনমনীয় মনোভাবের কারণে পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি স্থাপনের আলোচনা এখনও অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের সেনা জওয়ানরা সর্বোচ্চ প্রস্তুত বলে জানিয়েছে ইরান।