“ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট”: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কড়া হুঁশিয়ারি শমীক ভট্টাচার্যের

“ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট”: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কড়া হুঁশিয়ারি শমীক ভট্টাচার্যের

শনিবার সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও অনুপ্রবেশ নিয়ে সরব হলেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং সাংসদ রাহুল সিনহা। শমীক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অনিয়ন্ত্রিত অনুপ্রবেশ ও জনবিন্যাসের পরিবর্তন ভবিষ্যতে সামাজিক ও নিরাপত্তাজনিত সংকট তৈরি করতে পারে। এই প্রসঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নীতি অনুসরণ করে “ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট” মন্ত্রের ওপর বিশেষ জোর দেন।

অন্যদিকে, রাহুল সিনহা এই সম্মেলনে এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক যোগদানের ঘোষণা করেন। তিনি জানান, পূর্বস্থলী জেলা পরিষদের সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে শামিল হয়েছেন। এছাড়া, আরজি কর কাণ্ড ও রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বেহাল দশা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি প্রশাসনিক ব্যর্থতার কড়া সমালোচনা করেন। দুর্নীতি ও ভোটার তালিকায় স্বচ্ছতার অভাব নিয়েও তিনি শাসকদলকে বিঁধতে ছাড়েননি।

বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, নির্বাচন কমিশনের কঠোর নজরদারিতে ভোটার তালিকা শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে রাজ্যে বড়সড় রাজনৈতিক পরিবর্তন আসবে। আরজি করের মতো ঘটনাগুলি বর্তমান প্রশাসনের নৈতিক পরাজয় হিসেবেই দেখছেন তারা। সাংবাদিক সম্মেলনের শেষে দুই নেতাই দৃঢ়ভাবে জানান যে, পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ এখন পরিবর্তনের পক্ষে এবং আগামী নির্বাচনেই তার প্রতিফলন স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *