তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় ‘এক পরিবার এক প্রার্থী’ নীতি, ব্যতিক্রম শুধু দাস পরিবার

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে কালীঘাটে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। নির্বাচন কমিশন ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করবেন বলে জানা গেছে। এবার প্রার্থী বাছাইয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও পেশাদার সংস্থা বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। দলের অন্দরের খবর, অনেক বর্তমান বিধায়কই নিজেদের আসন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন, তবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বা শুভাশিস চক্রবর্তীর মতো কয়েকজনকে ইতিপূর্বেই প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।
তৃণমূলের এবারের প্রার্থী নির্বাচনে ‘এক পরিবার এক প্রার্থী’ নীতি কঠোরভাবে অনুসরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফিরহাদ হাকিম, মালা রায় বা অতীন ঘোষের মতো হেভিওয়েট নেতাদের সন্তানদের প্রার্থী হওয়া নিয়ে জল্পনা থাকলেও, দলীয় নেতৃত্ব দ্বিতীয় প্রজন্মের কাউকেই টিকিট দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক। এই নীতির ফলে কোনো পরিবার থেকে বাবা-মেয়ে বা মা-ছেলে উভয়ই টিকিট পাবেন না। তবে মানিকতলা আসনে সুপ্তি পাণ্ডের পরিবর্তে শ্রেয়া পাণ্ডের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে বলে সূত্রের খবর।
এই কঠোর নিয়মের মধ্যেও একমাত্র ব্যতিক্রম হতে চলেছে মহেশতলার ‘দাস পরিবার’। বর্তমান বিধায়ক দুলাল দাসের পরিবর্তে তাঁর ছেলে শুভাশিস দাসকে মহেশতলায় প্রার্থী করার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, দুলাল দাসের মেয়ে রত্না চট্টোপাধ্যায় বেহালা পূর্ব কেন্দ্র থেকেই পুনরায় টিকিট পেতে পারেন। অর্থাৎ, একই পরিবারের দুই সদস্যকে প্রার্থী করার ক্ষেত্রে এই পরিবারটিই একমাত্র ছাড় পেতে চলেছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেতাদের টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তাঁদের আসন নিয়ে ধোঁয়াশা বজায় রয়েছে।