তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুষ্কৃতীদের মদত দেওয়ার অভিযোগ, দিলীপ ঘোষের রণংদেহি মেজাজে বিঁধলেন কল্যাণকেও
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/17/dilip-2026-02-17-13-17-10.jpg?w=1200&resize=1200,675&ssl=1)
রাজ্যে নির্বাচনী পারদ চড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক বাগযুদ্ধ তুঙ্গে উঠেছে। সোমবার খড়গপুরে প্রচারে বেরিয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে একাধিক ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ করেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, ভোটব্যাঙ্ক নিশ্চিত করতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দুষ্কৃতীদের অবাধ ছাড় দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কালিয়াচক, সুজাপুর ও মোথাবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় আইন-শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি। তবে এনআইএ তদন্ত শুরু হওয়ায় প্রকৃত সত্য দ্রুত সামনে আসবে বলে আশাপ্রকাশ করেন মেদিনীপুরের এই হেভিওয়েট নেতা।
এদিন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ব্যক্তিগত স্তরে নিশানা করেন দিলীপ। কল্যাণের রাজনৈতিক আয়ু আর মাত্র কয়েক বছর বলে দাবি করে তিনি বলেন, সকালে ও রাতে ওঁর কথার কোনো মিল থাকে না। পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির পতাকা ছেঁড়া ও দেওয়াল লিখন মুছে দেওয়ার ঘটনাকে তৃণমূলের ‘হারার মানসিকতা’ বলে কটাক্ষ করেন তিনি। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, ব্যানার ছিঁড়ে ভোটারদের মন জয় করা সম্ভব নয়। ভোটার তালিকা থেকে প্রায় এক কোটি ভুয়ো ভোটার বাদ যাওয়ার ফলে আসন্ন নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ বদলে যাবে বলেও দাবি করেন তিনি।
বিজেপির প্রচার কৌশল নিয়েও এদিন মুখ খোলেন দিলীপ ঘোষ। আগামী ১১ এপ্রিল খড়গপুরে অমিত শাহের রোড-শো এবং পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও যোগী আদিত্যনাথের আগমনের কথা উল্লেখ করে তিনি তৃণমূলের ‘বহিরাগত’ তত্ত্ব খণ্ডন করেন। তাঁর পালটা সওয়াল, শাসকদল বাংলাদেশ থেকে প্রচারক আনতে পারলে দিল্লি বা উত্তরপ্রদেশ থেকে নেতারা এলে সমস্যা কোথায়? টলিউডের সাম্প্রতিক অচলাবস্থা নিয়ে সরব হয়ে তিনি অভিযোগ করেন, টলিপাড়ায় দীর্ঘকাল ধরে ‘মাফিয়া রাজ’ চলছে যার ফলে বহু শিল্পী কাজ হারিয়েছেন। সামগ্রিকভাবে এদিন আক্রমণাত্মক মেজাজে থেকে দিলীপ ঘোষ বুঝিয়ে দিলেন, আসন্ন নির্বাচনে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ বিজেপি।