তেলেঙ্গানায় ১.১ কোটির গ্যাস সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত ও দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/03/14/lpg-cylinder-supply-india-government-steps-middle-east-crisis-2026-03-14-12-04-53.jpg?w=640&resize=640,360&ssl=1)
আরব দুনিয়ায় সংঘাতের জেরে জ্বালানি সরবরাহে উদ্বেগের মাঝেই বড়সড় সাফল্য পেল তেলেঙ্গানা প্রশাসন। ১২ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত হায়দরাবাদসহ রাজ্যজুড়ে চালানো বিশেষ অভিযানে ৩,৬৯৯টি গৃহস্থালি এলপিজি সিলিন্ডার এবং ৭০টি ছোট সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করেছে সিভিল সাপ্লাইস দফতর। কালোবাজারি ও বেআইনি মজুতের অভিযোগে উদ্ধার হওয়া এই সম্পত্তির বাজারমূল্য প্রায় ১.১০ কোটি টাকা। এই ঘটনায় ১,২৭৫টি মামলা এবং ২১৬টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
জ্বালানি সংকট নিয়ে গুজবের জেরে দেশজুড়ে প্যানিক বুকিং ও কালোবাজারি রুখতে তৎপর হয়েছে কেন্দ্র। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশে প্রায় ১২ হাজার অভিযান চালিয়ে ১৫ হাজারের বেশি সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের জয়েন্ট সেক্রেটারি সুজাতা শর্মা জানিয়েছেন, দেশে পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও সোমবার প্রায় ৭০ হাজার অপ্রয়োজনীয় বুকিং হয়েছে। নাগরিকদের আতঙ্কিত না হয়ে স্বাভাবিক বুকিং প্রক্রিয়া বজায় রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।
বর্তমানে ৯৪ শতাংশ এলপিজি বুকিং অনলাইনেই সম্পন্ন হচ্ছে এবং ডেলিভারি অথেনটিসিটি কোড (DAC)-এর ব্যবহার বেড়ে ৭৬ শতাংশে পৌঁছেছে। কেন্দ্র আশ্বস্ত করেছে যে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে আন্তর্জাতিক অস্থিরতা থাকলেও দেশে পেট্রোল পাম্পে পর্যাপ্ত জ্বালানি রয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিহার, দিল্লি, হরিয়ানা এবং রাজস্থানসহ একাধিক রাজ্যে অ-গৃহস্থালি এলপিজি বরাদ্দের ক্ষেত্রে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
পাশাপাশি শিপিং মন্ত্রক জানিয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা ভারতীয় জাহাজ ও নাবিকরা সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন। প্রশাসন স্পষ্ট জানিয়েছে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কালোবাজারি করার চেষ্টা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনগণকে সরকারি বার্তার ওপর ভরসা রাখতে এবং অতিরিক্ত মজুত করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।