দাগি মন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীদের অপসারণ বিল, রিপোর্ট পেশে আরও সময় চাইল সংসদীয় কমিটি

ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের পদ থেকে অপসারণ সংক্রান্ত প্রস্তাবিত বিলের ভবিষ্যৎ বর্তমানে অনিশ্চয়তার মুখে। এই বিলটি পর্যালোচনার দায়িত্বে থাকা বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারেঙ্গীর নেতৃত্বাধীন যৌথ সংসদীয় কমিটি (জেপিসি) নির্ধারিত সময়ে রিপোর্ট জমা দিতে পারেনি। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বিলটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আরও অন্তত মাসখানেক সময় প্রয়োজন।
গত বছর আগস্টে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল পেশ করেছিলেন। এই প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বা কোনো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত হয়ে ৩০ দিনের বেশি জেলে থাকলে তাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার বিধান রয়েছে। বর্তমানে জেপিসি-কে আগামী বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহের প্রথম দিন পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে তাদের পর্যবেক্ষণ জমা দেওয়ার জন্য।
তবে এই বিল নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। কংগ্রেসসহ ‘ইন্ডিয়া’ জোটের দাবি, এটি বিরোধীদের নির্বাচিত সরকার ফেলে দেওয়ার একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একে ‘সুপার এমার্জেন্সি’ এবং গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। বিরোধীদের প্রবল আপত্তির মুখে এই বিলের ভবিষ্যৎ এখন পুরোপুরি সংসদীয় কমিটির রিপোর্টের ওপর নির্ভর করছে।