দেঁড়েদিঘিতে মমতা-অভিষেক নন, তূণমূলের মুখ প্রয়াত চাঁদহরি ও নান্টু প্রধান পরিবার

দেঁড়েদিঘিতে মমতা-অভিষেক নন, তূণমূলের মুখ প্রয়াত চাঁদহরি ও নান্টু প্রধান পরিবার

পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর-১ ব্লকের মহম্মদপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনীতিতে এখনও শেষ কথা প্রয়াত চাঁদহরি প্রধান ও তাঁর পরিবার। কেলেঘাই নদীর তীরবর্তী দেঁড়েদিঘি বাজারের দলীয় কার্যালয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবর্তে শোভা পাচ্ছে প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি চাঁদহরি প্রধানের ছবি। প্রায় সাড়ে তিন দশক ধরে এই এলাকায় প্রধান পরিবারের একাধিপত্য বজায় রয়েছে, যা আসন্ন নির্বাচনেও শাসকদলের তুরুপের তাস।

২০১৮ সালে জনরোষে নান্টু প্রধানের মৃত্যু এবং ২০২৪ সালে চাঁদহরি প্রধানের প্রয়াণের পর এটিই প্রথম নির্বাচন। বর্তমানে এই পরিবারের কনিষ্ঠ সদস্য পিন্টু প্রধানের হাতেই এলাকার রাশ রয়েছে। নান্টু প্রধানের প্রতিষ্ঠিত বিএড কলেজ এবং তাঁদের পারিবারিক মডেলেই এখানে নির্বাচনী রণকৌশল সাজানো হয়। দলীয় কর্মীদের মতে, স্থানীয় স্তরে সাংগঠনিক শক্তি মজবুত করতে এই পরিবারের প্রভাব আজও অপরিসীম।

তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, দলীয় প্রার্থী উত্তম বারিককে বড় ব্যবধানে লিড দিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ চলছে। বর্তমান অঞ্চল সভাপতি পদ্মলোচন মিশ্র স্বীকার করেছেন, এই এলাকায় দলের ওপর প্রধান পরিবারের গভীর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এলাকার সাধারণ ভোটার থেকে শুরু করে তৃণমূলের বুথ সভাপতিরা পিন্টু প্রধানের সাংগঠনিক দক্ষতার ওপর আস্থা রাখছেন। শেষ পর্যন্ত পারিবারিক এই আবেগকে কাজে লাগিয়েই বৈতরণী পার হতে চাইছে ঘাসফুল শিবির।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *