দ্বাদশের প্র্যাকটিকাল পাঠ্যক্রম নিয়ে বিতর্ক, পরিকাঠামোর অভাবে সংকটে পরীক্ষার্থীরা

দ্বাদশের প্র্যাকটিকাল পাঠ্যক্রম নিয়ে বিতর্ক, পরিকাঠামোর অভাবে সংকটে পরীক্ষার্থীরা

উচ্চ মাধ্যমিকের চতুর্থ সেমেস্টারের বিজ্ঞান বিভাগের প্র্যাকটিকাল পরীক্ষা নিয়ে দানা বেঁধেছে বিতর্ক। শিক্ষকদের একাংশের অভিযোগ, বর্তমান পাঠ্যক্রম ও প্রশ্নপত্র অত্যন্ত অবৈজ্ঞানিক ও বাস্তববিবর্জিত। উদাহরণস্বরূপ, জীববিদ্যার পরাগরেণুর অঙ্কুরোদ্‌গমের মতো দীর্ঘ প্রক্রিয়ার জন্য বরাদ্দ সময় অত্যন্ত অপর্যাপ্ত। এছাড়া, ডিএনএ নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ‘স্পেক্টফটোমিটার’ অধিকাংশ স্কুলেই নেই, ফলে শিক্ষার্থীরা হাতেকলমে শেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

পরিকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক স্কুলে নামমাত্র মূল্যায়ন করতে হচ্ছে বলে দাবি করেছেন শিক্ষকরা। পদার্থবিদ্যার ক্ষেত্রেও অগস্ট মাসে নতুন পাঠ্যক্রম আসায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনা সম্ভব হয়নি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারি বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির মতে, বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা না করেই এই পাঠ্যক্রম তৈরি করা হয়েছে। সঠিক মূল্যায়নের স্বার্থে দ্রুত এই সিলেবাস পরিবর্তনের দাবি তুলেছেন তারা।

অন্যদিকে, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি পার্থ কর্মকার যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, স্কুলগুলোতে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো রয়েছে এবং পরীক্ষার্থীদের কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে শিক্ষক মহলের পাল্টা অভিযোগ, উপযুক্ত সরঞ্জাম ও সময়ের অভাব এই পরীক্ষা ব্যবস্থাকে কার্যত মূল্যহীন করে তুলছে। তাই পরিকাঠামো খতিয়ে দেখে অবিলম্বে সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *