নির্বাচনে বুথ পাহারায় কড়া নজরদারি সিসি ক্যামেরা সুপারভাইজারদের পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক

আসন্ন নির্বাচনে অবাধ ও স্বচ্ছ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে একগুচ্ছ কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার ১০০ শতাংশ বুথেই সিসি ক্যামেরা এবং ওয়েব কাস্টিংয়ের মাধ্যমে কড়া নজরদারি চালানো হবে। বিশেষ করে, ক্যামেরা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা সুপারভাইজারদের নিয়োগের ক্ষেত্রে কঠোর মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো রাজনৈতিক যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি বাধ্যতামূলকভাবে পুলিশ ভেরিফিকেশন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি ১০টি বুথের জন্য একজন করে সুপারভাইজার থাকবেন, যাঁদের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি থাকা আবশ্যক। জেলাশাসক বা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকরা এই নিয়োগ প্রক্রিয়া তদারকি করবেন। এছাড়া প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে একটি বিশেষ নজরদারি দল গঠন করা হবে, যারা ক্যামেরাগুলির কার্যকারিতা পরীক্ষা করবে। ভোটগ্রহণের দু’দিন আগে থেকেই মহড়া শুরু হবে এবং নিরবচ্ছিন্ন রেকর্ডিং নিশ্চিত হলেই সেটিকে সফল হিসেবে গণ্য করা হবে।
ভোটের দিন জেলা ও রাজ্যস্তরে পৃথক কন্ট্রোল রুম থেকে সরাসরি ওয়েব কাস্টিং পর্যবেক্ষণ করা হবে। স্পর্শকাতর বুথগুলিতে প্রয়োজনে তিনটি পর্যন্ত ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর সমস্ত ভিডিও রেকর্ডিং নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জেলাশাসকের জিম্মায় সংরক্ষিত থাকবে। প্রযুক্তির এই নিশ্ছিদ্র ব্যবহার এবং কর্মীদের কঠোর চারিত্রিক যাচাইয়ের মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেওয়াই কমিশনের মূল লক্ষ্য।