নির্বাচন কমিশনের এক্তিয়ার নিয়ে হাই কোর্টে প্রশ্ন কল্যাণের

রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের মুখে গণহারে আমলা ও পুলিশ আধিকারিক বদলির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য। প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চে শুনানির সময় তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনের উদ্দেশ্য ও এক্তিয়ার নিয়ে সরব হন। তাঁর সওয়াল, নির্বাচন ঘোষণার আগে যাঁদের কাজে কোনো অসন্তোষ ছিল না, হঠাৎ তাঁদের কেন অপসারণ করা হচ্ছে?
আদালতে কল্যাণ জানান, রাজ্যজুড়ে ৬৩ জন পুলিশ অফিসার এবং ১৬ জন আইএএস আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন এমন স্বরাষ্ট্রসচিবকেও ভিন রাজ্যে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের শীর্ষস্তরের এই রদবদলের ফলে কোনো বিপর্যয় ঘটলে তা সামলানোর দায়িত্ব কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে বলে তাঁর অভিযোগ।
রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত সওয়ালের সমর্থনে জানান, ভোটার তালিকা ও নির্বাচন পরিচালনার বাইরে কমিশনের ক্ষমতা সীমিত। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ টেনে তিনি বলেন, যারা সরাসরি নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁদের সরানোর ক্ষমতা কমিশনের ওপর বর্তায় না। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই কেন এমন নজিরবিহীন পদক্ষেপ নেওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মামলাকারীরা। বর্তমানে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এই মামলার শুনানি চলছে।