নির্বাচন কমিশনের কড়া ফতোয়া, গোপন রাখা যাবে না ফেসবুক-এক্স হ্যান্ডেল

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফেক নিউজ এবং ভুয়ো প্রচার রুখতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। এবার থেকে মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে তাঁদের সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করতে হবে। কোন প্ল্যাটফর্মে কটি অনুমোদিত অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তার স্বচ্ছ হিসেব দিতে হবে কমিশনকে।
বিজ্ঞাপনেও কড়াকড়ি সোশ্যাল মিডিয়া বা ইন্টারনেটে কোনো রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন দেওয়ার আগে এখন থেকে ‘মিডিয়া সার্টিফিকেশন অ্যান্ড মনিটরিং কমিটি’ (MCMC)-র আগাম অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। বিনা অনুমতিতে বিজ্ঞাপন পোস্ট করলে তা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং কমিশন কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেবে। কোনো প্রার্থী বা দল যদি জেলা কমিটির সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট না হন, তবে তাঁরা রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের নেতৃত্বাধীন আপিল কমিটির দ্বারস্থ হতে পারবেন।
খরচের হিসেবে কড়া নজর শুধুমাত্র প্রোফাইল জানানোই নয়, নির্বাচনের পর ৭৫ দিনের মধ্যে ডিজিটাল প্রচারের যাবতীয় খরচের খতিয়ান কমিশনকে জমা দিতে হবে। পেইড নিউজ এবং অপপ্রচার রুখতে কমিশন ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছে।
উল্লেখ্য, আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনে দুই দফায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং ফলাফল ঘোষণা হবে ৪ মে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই কমিশনের এই সাঁড়াশি অভিযান।