নির্বাচন কমিশনের ভুলে ‘বিচারাধীন’ প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক, মালদহে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা

মালদহের পুরাতন মালদহ ব্লকের বলাতুলি গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা তথা প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক মহম্মদ আব্দুর রউফ দীর্ঘ তিন দশক শিক্ষকতা করার পর এখন নিজের নাগরিকত্ব নিয়ে সংকটে পড়েছেন। ভারতীয় পাসপোর্ট এবং নিয়মিত পেনশন পাওয়া সত্ত্বেও এসআইআর প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম ‘বিচারাধীন’ তালিকায় রাখা হয়েছে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নামের বানানে নির্বাচন কমিশনের ভুলের কারণেই এই বিপত্তি বলে দাবি করেছেন ৬৫ বছর বয়সি এই প্রবীণ শিক্ষক।
বৃহস্পতিবার আন্দোলনের শামিল হয়ে আব্দুর রউফ আক্ষেপের সুরে প্রশ্ন তোলেন, কেন তাঁকে এই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, ২০০২ সালের তালিকায় নামের আগে ‘আলি’ শব্দ যুক্ত হওয়াটা দপ্তরের ভুল, যার খেসারত তাঁকে দিতে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি অতিরিক্ত জেলাশাসকের দ্বারস্থ হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে এই ঘটনায় সংখ্যালঘু হেনস্তার অভিযোগ তুলে তিনি বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বিজেপি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে মানুষকে হেনস্তা করছে। পাল্টা জবাবে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে, নথিতে ত্রুটির কারণেই এমনটা হয়েছে, এর সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। বর্তমানে ওই শিক্ষকের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিচারাধীন রয়েছে।