নির্বাচন কমিশনের সর্বদলীয় বৈঠক, বাহিনী মোতায়েন ও অভিযোগ প্রক্রিয়ায় নয়া স্বচ্ছতা

রাজ্যে আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সোমবার সর্বদলীয় বৈঠক করলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। বৈঠকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকার সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে কারও নাম প্রত্যাখ্যাত হলে তিনি ট্রাইব্যুনালে আপিল করার সুযোগ পাবেন। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতিটি পুলিশ জেলায় অন্তত ২ জন করে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কলকাতায় এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে কমিশন।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতি দফায় প্রায় ২২০০ থেকে ২৫০০ কো ম্পা নি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে ভাঙড়-সহ ২৯৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৫টি এলাকাকে সংবেদনশীল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা নিয়ে কাজ চলছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটদানে কোনো আপস করা হবে না বলে রাজনৈতিক দলগুলোকে আশ্বস্ত করেছে কমিশন। বাহিনী মোতায়েন ও ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে কড়া নজরদারি চালানো হবে।
ভোটগ্রহণে কারচুপি রুখতে প্রযুক্তির ব্যবহারে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, কোনো বুথে একটানা ৪ ঘণ্টা ওয়েবকাস্টিং বন্ধ থাকলে বা যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে সেখানে পুনরায় নির্বাচনের (রি-পোলিং) আদেশ দেওয়া হবে। হিংসামুক্ত নির্বাচন সম্পন্ন করতে কমিশন বদ্ধপরিকর এবং আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে এদিনের বৈঠকে।