নীল ড্রামের রহস্য! বীভৎস মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তোলপাড় হুগলি

নিউজ ডেস্ক
ভোটের মুখে বাংলায় ফিরে এল যোগীরাজ্যের সেই হাড়হিম করা ঘটনার স্মৃতি। হুগলির ভদ্রেশ্বর থানার শ্বেতপুর পুলিশ ফাঁড়ির ঢিল ছোড়া দূরত্বে দিল্লি রোডের ধারে এক রহস্যময় নীল ড্রাম ঘিরে তৈরি হলো চরম উত্তেজনা। ড্রামের মুখ খুলতেই আঁতকে উঠলেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে পুলিশ আধিকারিকরা।
ভয়াল দৃশ্য রাস্তার পাশের একটি পরিত্যক্ত জমিতে বস্তাবন্দি অবস্থায় পড়ে ছিল একটি বড় নীল রঙের ড্রাম। স্থানীয়রা সন্দেহবশত পুলিশে খবর দিলে ড্রামটি উদ্ধার করা হয়। ড্রামের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে আনুমানিক ৪০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির নগ্ন দেহ। জানা গেছে, মৃত ব্যক্তির গলা কাটা ছিল এবং শরীর ছিল মারাত্মকভাবে ঝলসানো। এই বীভৎসতা দেখে শিউরে উঠেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
তদন্তে পুলিশ চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট ও ভদ্রেশ্বর থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে পাঠিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই যুবককে অন্য কোথাও নৃশংসভাবে খুন করার পর প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহটি ড্রামে ভরে এখানে ফেলে দেওয়া হয়েছে। মৃতের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।
অতীতের সেই নীল ড্রাম আতঙ্ক এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই কয়েক বছর আগে উত্তরপ্রদেশে ঘটে যাওয়া এক রোমহর্ষক খুনের স্মৃতি ফিরে এসেছে। সেখানেও সৌরভ রাজপুত নামে এক যুবককে তাঁর স্ত্রী ও বন্ধু মিলে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে কুপিয়ে খুন করেছিলেন। খুনের পর দেহ ১৫ টুকরো করে নীল ড্রামে ভরে সিমেন্ট দিয়ে মুখ আটকে দেওয়া হয়েছিল। খুনের ১৪ দিন পর সেই ড্রাম থেকে দেহাংশ উদ্ধার হয়েছিল। ভদ্রেশ্বরের ঘটনা সেই পুরনো স্মৃতিকেই ফের উস্কে দিল।