পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার প্রথম ড্রোন বোট মোতায়েন: ইরানের সীমান্তে ঘনীভূত যুদ্ধের মেঘ?

পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার প্রথম ড্রোন বোট মোতায়েন: ইরানের সীমান্তে ঘনীভূত যুদ্ধের মেঘ?

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে পশ্চিম এশিয়ার জলসীমায় প্রথমবারের মতো অত্যাধুনিক ‘চালকবিহীন ড্রোন বোট’ মোতায়েন করেছে আমেরিকা। পেন্টাগন সূত্রে খবর, ইরানের উপকূলবর্তী এলাকায় নজরদারি চালানোর জন্য এই বিশেষ জলযানগুলো নামানো হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রথম ওই অঞ্চলে মার্কিন বাহিনী এমন প্রযুক্তির ব্যবহার করছে, যা জলপথে লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত ও ‘আত্মঘাতী’ হামলায় সক্ষম।

প্রযুক্তিগতভাবে এই ড্রোন বোটগুলো আসলে চালকবিহীন স্পিডবোট, যা দূর নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। পেন্টাগন বর্তমানে একে নজরদারির কাজে ব্যবহারের কথা জানালেও বিশেষজ্ঞরা ভিন্ন মত পোষণ করছেন। তাদের মতে, এই বোটগুলোতে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র বা বোমা যুক্ত করে সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে নামানো সম্ভব। দীর্ঘ চেষ্টার পর এই প্রযুক্তি সফলভাবে মোতায়েন করতে সমর্থ হলো ওয়াশিংটন।

সামুদ্রিক ড্রোনের ব্যবহার আধুনিক যুদ্ধে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সাশ্রয়ী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এতে নিজস্ব সেনার প্রাণহানির ঝুঁকি যেমন কম থাকে, তেমনি এটি পরিচালনা করাও তুলনামূলক সহজ। ইরান ইতিপূর্বেই উপসাগরীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক ড্রোন ব্যবহার করে তেলের ট্যাঙ্কার লক্ষ্যবস্তু করেছে। ফলে আমেরিকার এই পাল্টা পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ও সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *