পশ্চিম এশিয়ার সংকটে জ্বালানি বিপর্যয়ের আশঙ্কা, জরুরি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

পশ্চিম এশিয়ায় ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের জেরে ভারতে তীব্র জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় রবিবার সন্ধ্যায় এক উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’ ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকায় সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে ভারতের জ্বালানি ও সার আমদানিতে।
দেশের বাজারে পেট্রোল, ডিজেল এবং বিদ্যুতের জোগান স্বাভাবিক রাখাই এখন কেন্দ্রের প্রধান চ্যালেঞ্জ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই সৌদি আরব, কাতার ও ফ্রান্সসহ দশটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক এই অস্থিরতার প্রভাব যেন সাধারণ মানুষের হেঁশেল কিংবা কৃষি খাতের ওপর না পড়ে। পাশাপাশি ভেঙে পড়া ‘সাপ্লাই চেইন’ দ্রুত সচল করতে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ডলারের তুলনায় টাকার ক্রমাগত দরপতন এবং জ্বালানির দাম বৃদ্ধির আশঙ্কায় জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও; তার দাবি, ভোট মিটলেই দেশে জ্বালানি ও রান্নার গ্যাসের দাম বাড়তে পারে। আন্তর্জাতিক এই সংকটের প্রভাব মোকাবিলা করে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করাই এখন মোদী সরকারের কাছে সবথেকে বড় পরীক্ষা।