পারস্য উপসাগরে মাইন পাতার হুঁশিয়ারি ইরানের, আমেরিকার প্রতি ১৯৮০-র ইতিহাস স্মরণ

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মেরিন বাহিনী মোতায়েনের আশঙ্কায় কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তেহরানের প্রতিরক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উপকূল বা দ্বীপপুঞ্জে কোনো ধরনের হামলা হলে পুরো উপসাগর জুড়ে শক্তিশালী সমুদ্র-মাইন পেতে দেওয়া হবে। এই পদক্ষেপের ফলে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে ভয়াবহ সংকটের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
ইরানি বিবৃতিতে মার্কিন প্রশাসনকে ১৯৮০-র দশকের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইরান জানিয়েছে, তৎকালীন সময়ে মাইন অপসারণে শতধিক মাইনসুইপার ব্যর্থ হয়েছিল। বর্তমানে ওয়াশিংটন ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ দখল বা অবরোধের পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।
এই সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। ইজরায়েল ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলায় ইতিমধ্যে নিহতের সংখ্যা ১,৫০০ ছাড়িয়েছে। রিয়াধ ও আবু ধাবিতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার ঘটনা সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলেছে। পারস্য উপসাগর ঘিরে এই রণতৎপরতা এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য এক বড়সড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।