পারস্য উপসাগরে মাইন পাতার হুঁশিয়ারি ইরানের, ঘনীভূত হচ্ছে বিশ্ব জ্বালানি সংকট

আমেরিকা ও ইসরায়েলকে কঠোর বার্তা দিয়ে ইরান জানিয়েছে, তাদের উপকূল বা দ্বীপাঞ্চলে হামলা হলে পারস্য উপসাগর জুড়ে নৌ-মাইন বিছিয়ে দেওয়া হবে। তেহরানের প্রতিরক্ষা পরিষদ এই পদক্ষেপকে তাদের ‘প্রতিষ্ঠিত সামরিক নীতি’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক প্রবেশপথগুলো সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে।
বর্তমানে যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী আংশিক বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। ইরান স্পষ্ট করেছে যে, তারা বাকি বিশ্বের জন্য জলপথ সচল রাখতে আগ্রহী হলেও আমেরিকা ও ইসরায়েলকে কোনো ছাড় দেবে না। এই করিডরে মাইন পাতা হলে তা অপসারণ করা কঠিন হবে বলে সতর্ক করেছে ইরান, যা আশির দশকের সংঘাতের স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার যে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন, তার পাল্টা জবাবে ইরান এই হুঁশিয়ারি দিল। তেহরানের দাবি, তাদের শক্তিকেন্দ্রে আঘাত করা হলে পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত মার্কিন তথ্যপ্রযুক্তি ও পানীয় জল শোধন কেন্দ্রগুলোকেও নিশ্চিহ্ন করা হবে। মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এখন বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।