পিএফ অ্যাকাউন্ট নিয়ে এই ৫টি ভুল ধারণা বদলে দিতে পারে আপনার আর্থিক ভবিষ্যৎ

চাকরিজীবীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড বা ইপিএফ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তবে পিএফ অ্যাকাউন্টের নিয়মাবলি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অনেক ভুল ধারণা বা ‘মিথ’ প্রচলিত রয়েছে, যার ফলে অনেক সময় আমানতকারীরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। এই প্রতিবেদনে আমরা ইপিএফও-র এমন ৫টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের সত্যতা তুলে ধরছি যা আপনার সঞ্চয় বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।
প্রথমত, অধিকাংশ মানুষ মনে করেন পিএফ থেকে অবসরের বয়স ৬০ বছর, কিন্তু বাস্তবে ইপিএফও-র নিয়ম অনুযায়ী এটি ৫৮ বছর। এই বয়সের পর নতুন করে কন্ট্রিবিউশন জমা হওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং পেনশনের হিসাবও এই ভিত্তিতেই করা হয়। দ্বিতীয়ত, অবসরের পরপরই টাকা না তুললে সুদ বন্ধ হওয়ার ভয় থাকে। নিয়ম হলো, ৫৮ বছরে অবসর নিলে পরবর্তী ৩ বছর পর্যন্ত অ্যাকাউন্টের টাকার ওপর সুদ পাওয়া যায়। তবে কেউ যদি কম বয়সে কাজ ছেড়ে দেন, তবে ৫৮ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত তিনি টানা সুদ পেতে থাকবেন।
তৃতীয়ত, টানা ৩ বছর টাকা জমা না পড়লে অ্যাকাউন্ট ‘ইন-অপারেটিভ’ হলেও তা পুরোপুরি বন্ধ হয় না; আমানতকারী চাইলে টাকা ট্রান্সফার বা তুলে নিতে পারেন। সবশেষে, পেনশন পেতে হলে চাকরি ছাড়ার প্রয়োজন নেই। ইপিএস নিয়ম অনুযায়ী ৫৮ বছর বয়স হলেই পেনশন চালু হয়ে যায়, এমনকি কাজ চালিয়ে গেলেও আপনি পেনশনের অধিকারী হবেন। বর্তমানে ন্যূনতম মাসিক পেনশন ১,০০০ টাকা হলেও তা ৭,৫০০ টাকা করার প্রস্তাব সরকারি স্তরে বিবেচনাধীন রয়েছে। এসব তথ্য মাথায় রাখলে আপনার কষ্টে উপার্জিত টাকা আরও সুরক্ষিত থাকবে।