পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে রত্নভাণ্ডার গণনায় আধুনিক প্রযুক্তি, ৪৮ বছর পর শুরু ঐতিহাসিক প্রক্রিয়া

দীর্ঘ ৪৮ বছর পর ওড়িশার পুরী জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভাণ্ডারের সম্পদ গণনার কাজ কড়া নিরাপত্তায় শুরু হয়েছে। ওড়িশার আইনমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ হরিচন্দনের তত্ত্বাবধানে এই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রথমবারের মতো ভিডিওগ্রাফি এবং থ্রি-ডি (3D) ম্যাপিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ রত্নকার ও ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই তালিকা তৈরির কাজ সম্পন্ন হবে।
প্রশাসন জানিয়েছে, মন্দিরের দৈনন্দিন পূজা ও ভক্তদের দর্শনে বিঘ্ন না ঘটিয়েই সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলী (SOP) মেনে এই কাজ চলবে। রত্নভাণ্ডারের বাইরের ও ভিতরের কক্ষের অলঙ্কারগুলো পৃথকভাবে নথিভুক্ত করা হবে। গণনার শেষে প্রতিটি সামগ্রীর তথ্য ১৯৭৮ সালের তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। তবে এই প্রক্রিয়ায় সম্পদের শুধুমাত্র তালিকাভুক্তিকরণ হবে, কোনো আর্থিক মূল্য নির্ধারণ করা হবে না।
নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিদিনের কাজ শেষে ভাণ্ডারের চাবি জেলা ট্রেজারিতে জমা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উৎসব বা ভিড়ের দিনগুলোতে প্রক্রিয়াটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হতে পারে। আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় প্রায় এক মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ নথিকরণ প্রক্রিয়াটি শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ ও রাজ্য সরকার।