প্রেসক্রিপশন ছেড়ে এবার রাজনীতির ময়দানে চিকিৎসকরা: কার পাল্লা ভারী?

আসন্ন নির্বাচনে রোগী দেখার পাশাপাশি ভোটযুদ্ধের ময়দানেও সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছেন রাজ্যের একঝাঁক চিকিৎসক। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকায় ১০ জন চিকিৎসকের নাম রয়েছে, যেখানে বিজেপির তালিকাতেও সমসংখ্যক চিকিৎসক স্থান পেয়েছেন। বামফ্রন্ট ও এসইউসি-র পক্ষ থেকেও যথাক্রমে ৬ ও ৫ জন চিকিৎসককে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামানো হয়েছে। সমাজ পরিবর্তনের তাগিদ নাকি রাজনৈতিক প্রতিপত্তির আকাঙ্ক্ষা—এই প্রশ্নকে ঘিরেই এখন রাজ্য রাজনীতিতে চর্চা তুঙ্গে।
রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী তালিকায় এবার বেশ কিছু চমক লক্ষ্য করা গেছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে শান্তনু সেন বা সুদীপ্ত রায়ের মতো পরিচিত মুখদের বদলে রাজীব বিশ্বাস ও অতীন্দ্রনাথ মণ্ডলের মতো নতুন ও তরুণ চিকিৎসকদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, নির্মল মাজির মতো অভিজ্ঞ চিকিৎসককে পাঠানো হয়েছে নতুন কেন্দ্রে। বিজেপি ও বামেদের বাকি থাকা আসনগুলোতেও আরও কিছু চিকিৎসকের নাম সংযোজিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা এই নির্বাচনী সমীকরণকে আরও কৌতূহলব্যঞ্জক করে তুলেছে।
নির্বাচনী প্রচারের ব্যস্ততার মাঝেই অনেক চিকিৎসক প্রার্থী তাদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখছেন। কেউ প্রচারের ফাঁকে অপারেশন সারছেন, আবার কেউ বিশ্রামের সময়টুকু উৎসর্গ করছেন রোগীদের সেবায়। প্রার্থীদের দাবি, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং বৃহত্তর জনসেবার লক্ষ্যেই তারা সরাসরি রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন। পেশার গণ্ডি পেরিয়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবে তারা কতটা সফল হন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্যের সাধারণ মানুষ ও ভোটাররা।