বঙ্গবন্ধু ও নন্দীগ্রামের হাইভোল্টেজ লড়াই, নজরে ২০২৬-এর বঙ্গ বিধানসভা

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশের সাথে সাথেই তপ্ত বাংলার রাজনীতি। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে বামফ্রন্ট ১৯২ এবং বিজেপি প্রথম দফায় ১৪৪টি আসনে নাম ঘোষণা করেছে। এবারের নির্বাচনে মূল আকর্ষণ ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম কেন্দ্র। ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন শুভেন্দু অধিকারী, যিনি আবার নন্দীগ্রামেও বিজেপির তুরুপের তাস। অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে তৃণমূলের বাজি প্রাক্তন বিজেপি নেতা পবিত্র কর।
এবারের নির্বাচনে নতুন মুখ ও আবেগের লড়াই বিশেষ মাত্রা পেয়েছে। উত্তরপাড়ায় কল্য়াণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের পুত্র শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখোমুখি হচ্ছেন বাম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। কালীগঞ্জে ৯ বছরের তামান্নার মৃত্যুর বিচার চাইতে তাঁর মা সাবিনা ইয়াসমিনকে প্রার্থী করেছে সিপিএম। শিবপুরে প্রাক্তন ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারির বদলে তৃণমূল রানা চট্টোপাধ্যায়কে দাঁড় করিয়েছে, যার প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির রুদ্রনীল ঘোষ। বরাহনগরে ফের মুখোমুখি হচ্ছেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সজল ঘোষ।
রাজনৈতিক সমীকরণে দেবাংশু ভট্টাচার্য, তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের মতো তরুণ তুর্কিদের ওপর ভরসা রেখেছে শাসক দল। পাল্টা চালে বিজেপি অভিজ্ঞ দিলীপ ঘোষ ও শঙ্কর ঘোষদের ময়দানে রেখেছে; তারকেশ্বরে সাংবাদিক সন্তু পানকে প্রার্থী করে চমক দিয়েছে পদ্ম শিবির। যাদবপুরে বর্ষীয়ান বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের লড়াই দেবব্রত মজুমদারের বিরুদ্ধে। তারুণ্য বনাম অভিজ্ঞতার এই দ্বৈরথে শেষ হাসি কে হাসবে, তার উত্তর দেবে সময়।