বলিউডে পারিশ্রমিক বৈষম্য: লিঙ্গ নয়, বক্স অফিস সাফল্যই আসল চাবিকাঠি, দাবি সইফ আলি খানের

বলিউডে অভিনেতা ও অভিনেত্রীদের পারিশ্রমিকের ফারাক নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কে এবার নতুন মাত্রা যোগ করলেন অভিনেতা সইফ আলি খান। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে তিনি জানান, এই বৈষম্য লিঙ্গভিত্তিক নয়, বরং এটি একটি ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা। তাঁর মতে, পারিশ্রমিক নির্ধারণের মূল ভিত্তি হলো একজন তারকার ‘বক্স অফিস পুল’ বা প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টানার ক্ষমতা। সইফের এই মন্তব্য বিনোদন জগতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
নবাবপুত্রের দাবি, বলিউডের অর্থনীতি আবেগের বদলে টিকিট বিক্রির ওপর নির্ভরশীল। তিনি স্পষ্ট করেন যে, যদি কোনো শিল্পী দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহে নিয়ে আসতে পারেন, তবেই তিনি সেই অনুযায়ী পারিশ্রমিক পাবেন। এখানে অভিনেতা বা অভিনেত্রী হওয়াটা মুখ্য নয়, বরং কার নামে কত টাকার টিকিট বিক্রি হচ্ছে সেটাই আসল বিচার্য। সুপারস্টাররা তাঁদের জনপ্রিয়তার জোরেই নিজেদের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সহ-অভিনেতা কুণাল খেমুও সইফের সুরে সুর মিলিয়ে বিষয়টিকে একটি গাণিতিক সমীকরণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে, ডিস্ট্রিবিউটররা বিনিয়োগের টাকা ফেরত পাওয়ার গ্যারান্টি দেখেই লগ্নী করেন। তবে আলিয়া ভাট বা কঙ্গনা রানাওয়াতের মতো অভিনেত্রীরা একক ক্ষমতায় ছবি সফল করলেও কেন তাঁরা অনেক ক্ষেত্রে কম পারিশ্রমিক পান, সেই প্রশ্নটি অমীমাংসিতই থেকে গিয়েছে। সইফের এই যুক্তি পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতাকে আড়াল করছে কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।