বাংলাদেশ-ত্রিপুরা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নবদিগন্ত: বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক পুনরুত্থানের সম্ভাবনা

বাংলাদেশ-ত্রিপুরা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নবদিগন্ত: বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক পুনরুত্থানের সম্ভাবনা

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হওয়ায় ত্রিপুরার সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ দেড় বছরের স্থবিরতা কাটিয়ে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো পুনরায় চালুর বিষয়ে আশাবাদী রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে ত্রিপুরার পরিবহন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী জানান, বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে ভারত ও ত্রিপুরা সরকার যৌথভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।

ইতিমধ্যেই ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা এবং আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের ভিসা পরিষেবা স্বাভাবিক হয়েছে। স্থলবন্দরগুলোর মাধ্যমে পণ্য বাণিজ্য পুনরায় গতি পেতে শুরু করেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনার মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন। এর ফলে থমকে থাকা রেল ও জলপথ প্রকল্পগুলো আবার প্রাণ ফিরে পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পাশাপাশি, রাজ্য মন্ত্রিসভা ৪৮টি পদে নতুন নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার মধ্যে ৩২ জন ড্রাইভার ও ১০ জন রাজস্ব ইন্সপেক্টর রয়েছেন। তফশিলি জাতি হস্টেলের ছাত্রছাত্রীদের দৈনিক স্টাইপেন্ড বাড়িয়ে ১০০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া, সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশিক্ষণ এবং নারী আদালত প্রকল্পের মতো জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন মন্ত্রী। এই পদক্ষেপগুলো রাজ্যের প্রশাসনিক ও সামাজিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *