বিজেপি ক্ষমতায় এলে আরও বাড়বে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা! বড় ঘোষণা সুকান্তর

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজার আগেই মাস্টারস্ট্রোক শাসক দলের। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং যুবসাথী প্রকল্পের ভিড়ে কার্যত কোণঠাসা বিরোধী শিবির। এই পরিস্থিতিতে বুধবার জলহাটিতে ‘গৃহ সম্পর্ক যাত্রা’য় এসে সেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকেই হাতিয়ার করলেন কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সাফ জানালেন, রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বরাদ্দ আরও বাড়ানো হবে।
রাজ্য সরকারের জনপ্রিয় জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলোর পাল্টা হিসেবে ‘প্রধানমন্ত্রীর চিঠি’ বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। বুধবার জলহাটির এই কর্মসূচিতে সুকান্ত মজুমদার রাজ্য সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তৃণমূল সরকারকে ‘শিল্পবিরোধী’ তকমা দিয়ে তিনি বলেন, “বিজেপি এ রাজ্যে ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা তো বাড়বেই, সেই সঙ্গে রাজ্যের তরুণ-তরুণীদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।”
সুকান্ত মজুমদারের এই মন্তব্যকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। পাল্টা তোপ দেগেছেন জলহাটির তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মহিলাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করেছেন। আজ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত তাঁর লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প। বিজেপি বুঝতে পেরেছে এই প্রকল্পের জনপ্রিয়তার কাছে তারা অসহায়, তাই এখন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে ভরসা করেই মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। এ রাজ্যে বিজেপি কোনোদিন ক্ষমতায় আসবে না, আর জলহাটির মহিলারা দিদির পাশেই থাকবেন।”
আসন্ন নির্বাচনের আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলের এই দড়ি টানাটানি রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল। সুকান্ত মজুমদারের এই ‘টাকা বাড়ানো’র প্রতিশ্রুতি ভোটারদের মনে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।