বিয়ের খুশির মাঝেই চরম চটেছেন রশ্মিকা মান্দান্না আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন অভিনেত্রী

বিয়ের খুশির মাঝেই চরম চটেছেন রশ্মিকা মান্দান্না আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন অভিনেত্রী

অভিনেত্রী রশ্মিকা মান্দান্না এবং বিজয় দেবেরকোন্ডার রাজকীয় বিয়ের রেশ এখনও কাটেনি। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরের বিলাসবহুল রিসর্টে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর পরিণয়ে আবদ্ধ হয়েছেন এই তারকা জুটি। সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে যখন তাঁদের বিয়ের রঙিন মুহূর্তগুলো ভাইরাল, ঠিক তখনই নিজের অতীত জীবন নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কে মারাত্মক ক্ষুব্ধ হলেন ‘পুষ্পা’ খ্যাত এই অভিনেত্রী। ভুল তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে এবার সরাসরি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

আসল ঘটনাটি হলো, রশ্মিকার বিয়ের পরপরই তাঁর অতীত সম্পর্কের কিছু পুরনো ভিডিও এবং অডিও ক্লিপ নতুন করে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে অভিনেতা রক্ষিত শেট্টির সঙ্গে রশ্মিকার বাগদান হয়েছিল, যা ২০১৮ সালে ভেঙে যায়। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি পুরনো অডিও ক্লিপে দাবি করা হচ্ছে যে, সেই সময় রশ্মিকা এবং তাঁর মা রক্ষিতের হাতে হয়রানির শিকার হয়েছিলেন। ৮ বছর আগের এই ব্যক্তিগত কথোপকথন নতুন করে সামনে আসায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন অভিনেত্রী।

এই পরিস্থিতিতে একটি কড়া বিবৃতি জারি করেছেন রশ্মিকা। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁর এবং তাঁর মায়ের কথাগুলোকে প্রসঙ্গের বাইরে নিয়ে গিয়ে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। যা তিনি কখনও বলেননি, এমন শব্দও তাঁর নামে চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিনেত্রী। রশ্মিকা বলেন, “গত ২৪ ঘণ্টায় যা ঘটেছে তা সব সীমা অতিক্রম করে গেছে। আট বছর আগের একটি ব্যক্তিগত কথোপকথন, যা সম্মতি ছাড়াই রেকর্ড করা হয়েছিল, তা এখন প্রচার করা হচ্ছে। এটি আমার গোপনীয়তার ওপর গুরুতর আঘাত এবং এর ফলে আমার পরিবার ব্যথিত।”

রশ্মিকা সমস্ত মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং ইনফ্লুয়েন্সারদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়ে বলেছেন, যারা এই ধরনের বিভ্রান্তিকর কন্টেন্ট শেয়ার করছেন, তারা যেন অবিলম্বে তা সরিয়ে নেন। অন্যথায় তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন। বিয়ের উৎসবে মেতে থাকার মাঝেই এমন অনভিপ্রেত ঘটনায় স্বভাবতই বিরক্ত অভিনেত্রী। আপাতত ভক্তদের কাছে তাঁর অনুরোধ, যেন এই ধরনের মিথ্যে তথ্যে কেউ কান না দেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *