বিশ্বকাপ থেকে ইরানের নাম প্রত্যাহার, স্থলাভিষিক্ত কে হবে তা নিয়ে ফিফায় জটিলতা

আগামী ১১ জুন থেকে আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে শুরু হতে যাওয়া ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ক্রীড়ামন্ত্রী আহমেদ দোনিয়ামালি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। এশিয়ান বাছাইপর্বে শীর্ষে থাকা দলটির এমন আকস্মিক বিদায়ে লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাদের নির্ধারিত প্রথম ম্যাচটি এখন অনিশ্চয়তার মুখে।
ফিফার নিয়মসংহিতার ছয় নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো দল সরে দাঁড়ালে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা যেকোনো বিকল্প দলকে অন্তর্ভুক্ত করার পূর্ণ ক্ষমতা রাখে। এক্ষেত্রে একই মহাদেশের দল হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। ফিফার প্রাক্তন রেগুলেটরি পরিচালক জেমস কিচিং জানিয়েছেন, আধুনিক ফুটবল ইতিহাসে এমন নজির নেই। তবে বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে ইরানের ওপর সম্ভবত কোনো শাস্তিমূলক নিষেধাজ্ঞা চাপাবে না ফিফা।
ইরানের শূন্যস্থান পূরণে বর্তমানে দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তবে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরাকের প্লে-অফ খেলা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। হাতে তিন মাসেরও কম সময় থাকায় বিকল্প দল নির্বাচন এবং তাদের প্রস্তুতির সুযোগ করে দেওয়া ফিফার জন্য এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতময় পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত কোন দেশের শিকে ছিঁড়বে, তা নিয়ে ফুটবল বিশ্বে জল্পনা তুঙ্গে।