বিশ্বসুন্দরী হওয়ার আগে কেমন ছিলেন ঐশ্বর্য রাই আর কতই বা ছিল তাঁর প্রথম পারিশ্রমিক

কেরিয়ারের শুরুতে অত্যন্ত সাধারণ এবং লাজুক স্বভাবের ছিলেন আজকের বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে খ্যাতনামী স্টাইলিস্ট অ্যাশলে রেবেলো এবং প্রযোজক শৈলেন্দ্র সিং তুলে ধরেছেন সেই সময়ের অজানা কিছু স্মৃতি। ১৯৯২ সালে যখন তিনি মডেলিং দুনিয়ায় পা রাখছেন, তখন একবার একটি বিজ্ঞাপনের শ্যুটিংয়ে পিঠখোলা পোশাক পরতে রীতিমতো ইতস্তত বোধ করেছিলেন ১৮-১৯ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী। সঙ্গে থাকা তাঁর মায়েরও এই পোশাকে আপত্তি ছিল। তবে কাজের নান্দনিকতা বজায় থাকবে জেনে শেষ পর্যন্ত রাজি হন তাঁরা।
পরবর্তীতে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতার মঞ্চেও নিজের আভিজাত্য বজায় রেখেছিলেন ঐশ্বর্য। রেবেলোর পরামর্শে প্রতিদিন সকালে জলখাবার খেতে যাওয়ার সময় তিনি ভিন্ন ভিন্ন রঙের শিফন শাড়ি, ম্যাচিং চুড়ি আর টিপ পরতেন। তাঁর এই সাজ এতটাই জনপ্রিয় হয়েছিল যে অন্য প্রতিযোগীরাও তাঁর থেকে টিপ ও চুড়ি চেয়ে নিতেন। সহকর্মীদের প্রতি তাঁর এই উদারতা দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন সকলে।
নেটমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া তথ্য অনুযায়ী, কেরিয়ারের একেবারে শুরুতে একটি ম্যাগাজিন ক্যাটালগের জন্য মাত্র দেড় হাজার টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন ঐশ্বর্য। এরপর একটি বিজ্ঞাপনের জন্য পান পাঁচ হাজার টাকা। সেই সময় অর্জুন রামপালের সঙ্গেও কাজ করেছিলেন তিনি। সাধারণ এক কিশোরী থেকে বিশ্বসুন্দরী হয়ে ওঠার এই যাত্রায় ঐশ্বর্যর পরিশ্রম এবং তাঁর পরিশীলিত রুচিবোধ আজও অনেকের কাছে অনুপ্রেরণা।