‘বুঢ্ঢা হোগা তেরা বাপ’: আগুন ঝরানো স্পেলে নির্বাচকদের কড়া জবাব দিলেন মহম্মদ শামি

বয়স যে কেবলই একটি সংখ্যা, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে তা আবারও প্রমাণ করলেন মহম্মদ শামি। জাতীয় দল ও বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে ব্রাত্য এই বঙ্গ পেসার লখনউ সুপার জায়ান্টসের জার্সিতে বল হাতে আগুন ঝরালেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে বাংলাকে রনজির সেমিফাইনালে তোলা এই তারকা এদিন পুরনো দলের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই ছিলেন আক্রমণাত্মক। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাঁর উপযোগিতা নিয়ে ওঠা সমস্ত প্রশ্নের উত্তর যেন মাঠেই দিয়ে দিলেন তিনি।
শামির বিষধর বোলিংয়ের সামনে এদিন অসহায় আত্মসমর্পণ করেন হায়দরাবাদের দুই বিধ্বংসী ওপেনার অভিষেক শর্মা ও ট্রাভিস হেড। নিজের চার ওভারের স্পেলে অবিশ্বাস্য কৃপণতা দেখিয়ে মাত্র ৯ রান খরচ করে তুলে নেন ২ উইকেট। ইকোনমি রেট ছিল মাত্র ২.২৫, যা আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বিরল। তাঁর করা নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সৌজন্যেই পাওয়ার প্লে-তে চাপে পড়ে যায় হায়দরাবাদ। উপেক্ষা আর একাকী লড়াইয়ের জবাব দিতে শামি এদিন মাঠকেই বেছে নিয়েছিলেন।
শামির দাপুটে স্পেলের পর হেনরিখ ক্লাসেন ও নীতীশ রেড্ডির ব্যাটে হায়দরাবাদ লড়াকু রান গড়লেও, শেষ হাসি হাসে লখনউ। ঋষভ পন্থের দায়িত্বশীল ৬৮ রানের ইনিংসে ভর করে জয় নিশ্চিত করে সঞ্জীব গোয়েঙ্কার দল। তবে ম্যাচের আসল নায়ক হয়ে থাকলেন মহম্মদ শামি। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি নির্বাচকদের স্পষ্ট বার্তা দিয়ে রাখলেন যে, অভিজ্ঞতার ধার এখনও কমেনি। এখন দেখার, এই রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের পর ভারতীয় দলে তাঁর জন্য দরজা খোলে কি না।