ভবানীপুরে জয়ের ব্যবধান বাড়াতে তৃণমূলের ‘মাইক্রো ম্যানেজমেন্ট’, বিশেষ দায়িত্বে জাভেদ খান

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে রেকর্ড ভোটে জয় নিশ্চিত করতে ‘মাইক্রো ম্যানেজমেন্ট’ বা সূক্ষ্ম স্তরের রণকৌশল গ্রহণ করল তৃণমূল কংগ্রেস। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুক হিসেবে পরিচিত এই কেন্দ্রে জয়ের ব্যবধানকে ঐতিহাসিক মাত্রায় নিয়ে যাওয়াই শাসকদলের মূল লক্ষ্য। ভোটার তালিকায় নাম বাদ যাওয়া সংক্রান্ত জটিলতা এবং রাজনৈতিক সমীকরণ মাথায় রেখে প্রতিটি ওয়ার্ডভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।
এই রণকৌশলের অংশ হিসেবে ভবানীপুরের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রচার ও সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্যের বর্ষীয়ান মন্ত্রী জাভেদ খানকে। মূলত অবাঙালি ও সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এই ওয়ার্ডে দলের জনভিত্তি মজবুত করতে এবং বিরোধীদের এক ইঞ্চি জমিও না ছাড়তে এই সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ। ইতিপূর্বে এই ওয়ার্ডটি তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির অধীনে থাকলেও, বর্তমানে পরিবর্তিত পরিস্থিতির নিরিখে অভিজ্ঞ নেতা জাভেদ খানের কাঁধেই এই গুরুভার তুলে দেওয়া হয়েছে।
ভবানীপুর কেন্দ্রের অবশিষ্ট ওয়ার্ডগুলি সামলাচ্ছেন ফিরহাদ হাকিম ও সুব্রত বক্সি। মিশ্র জনসংখ্যার এই অঞ্চলে রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়ে তৃণমূল নেত্রীর জয়ের মার্জিন বাড়ানোই এখন প্রধান লক্ষ্য। দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই জাভেদ খান জানিয়েছেন, ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিটি পরিবারে মুখ্যমন্ত্রীর বারতা পৌঁছে দিয়ে জয়ের ব্যবধান বাড়ানোই হবে তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য।