ভারত-ইসরায়েল বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্বের ঘোষণায় নয়া মোড় এবং জ্বালানি সংকটের চ্যালেঞ্জ

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সম্প্রতি ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে দুই দেশের সম্পর্ককে ‘বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্বে’ রূপান্তরের ঘোষণা করেছেন। ড্রোন ও নজরদারি ব্যবস্থাকে প্রাধান্য দিয়ে ভারতের ১.৪ अरब মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তায় এক নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে। তবে এই পদক্ষেপের ফলে উদ্ভূত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে হরমোজ প্রণালীতে তেলবাহী ট্যাঙ্কারের চলাচল ধীর হওয়ায় ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। যা ভারতের কৃষি ও পরিবহন ব্যবস্থার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে।
বর্তমানে ভারত তার প্রয়োজনের প্রায় ৮৯ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করে, যার বড় অংশ আসে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে। রাশিয়া থেকে সস্তায় তেল সরবরাহ কমে যাওয়ায় আমদানির উৎস বহুমুখীকরণের প্রয়োজনীয়তা আরও তীব্র হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের কুনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষা এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে কর্মরত ৯২ লক্ষ ভারতীয়র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নীতিনির্ধারকদের কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এখন আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার বাজারের দিকে নজর দেওয়াই ভারতের পরবর্তী লক্ষ্য।