ভোটের বুথে এআই নজরদারি কতটা নির্ভুল হবে তা নিয়ে জোরালো প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে

রাজ্যে আসন্ন নির্বাচনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে বসানো হচ্ছে ৩৬০ ডিগ্রি এআই চালিত ক্যামেরা যা বুথের ভেতর যেকোনো অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বা জমায়েত শনাক্ত করলেই সরাসরি কন্ট্রোল রুমে সতর্কবার্তা পাঠাবে। জেলা সদর থেকে দিল্লি পর্যন্ত চার স্তরের নজরদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে ৬৬০টি টিভি স্ক্রিনে এই লাইভ ফিড পর্যবেক্ষণ করা হবে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন যে নিয়ম ভেঙে বুথে একসঙ্গে চারজনের বেশি ভোটার প্রবেশ করলেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তা ধরে ফেলবে এবং সঙ্গে সঙ্গে কমিশনকে অবহিত করবে।
তবে নিরাপত্তার এই আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে সংশয়। এর আগে ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি সংক্রান্ত নোটিসে নামের বানান বা পদবির সামান্য পার্থক্য শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছিল এআই। চ্যাটার্জি ও চট্টোপাধ্যায়ের মতো সহজ তফাত বুঝতে না পারায় বহু সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হয়েছিলেন যা নিয়ে শাসক দলও সরব হয়েছিল। অতীতের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে এবারের ভোটে এআই প্রযুক্তির নির্ভুলতা ও নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠছে। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে সাধারণ ভোটারদের কোনো হয়রানি হবে কি না তা নিয়ে জনমনে উৎকণ্ঠা রয়েই গিয়েছে।