ভোটে প্রিসাইডিং অফিসাররাই ‘বিচারাধীন’, বারাসাতে নির্বাচন দপ্তরে শিক্ষকদের বিক্ষোভ

ভোটে প্রিসাইডিং অফিসাররাই ‘বিচারাধীন’, বারাসতে নির্বাচন দপ্তরে শিক্ষকদের বিক্ষোভ

দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা সত্ত্বেও ভোটার তালিকায় নাম ‘বিচারাধীন’ থাকায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন উত্তর ২৪ পরগনার শতাধিক শিক্ষক। শুক্রবার বারাসাতে জেলাশাসকের দপ্তরে জমায়েত হয়ে তাঁরা এই অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান। আন্দোলনকারী শিক্ষকদের দাবি, ২৫-৩০ বছর সরকারি চাকরিতে কর্মরত থাকা এবং অতীতে প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব সামলানো সত্ত্বেও কোনো আগাম নোটিস ছাড়াই তাঁদের নাম এই তালিকায় রাখা হয়েছে।

বিক্ষুব্ধ শিক্ষকদের পক্ষে সামসুল জামান ও সাইফুল মণ্ডল জানান, যাঁদের দিয়ে কমিশন এতদিন ভোট করিয়েছে, এখন তাঁদের নাগরিকত্ব বা পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। নিয়মিত বেতন এবং গত নির্বাচনে নাম থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ এই অবস্থানে তাঁরা চরম বিভ্রান্ত ও অপমানিত বোধ করছেন। এই আইনি মারপ্যাঁচে তাঁরা আসন্ন নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কি না বা ভোটকর্মীর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

এই বিষয়ে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক শিল্পা গৌরিসারিয়া জানান যে, বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশিত হলেও পরিস্থিতি এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কমিশন পরবর্তী তালিকায় সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে। আপাতত উচ্চপর্যায়ের আলোচনার দিকে তাকিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষকরা, যদিও তাঁদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও অসন্তোষ বজায় রয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *