মমতার ফোনে বরফ গলল খগেশ্বরের, তৃণমূলেই থেকে নির্বাচনী প্রচারের অঙ্গীকার

তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর ক্ষুব্ধ হয়ে ইস্তফা দেওয়া রাজগঞ্জের বিদায়ী বিধায়ক খগেশ্বর রায়ের মানভঞ্জন হয়েছে। বুধবার রাতে খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোন পাওয়ার পর নিজের সিদ্ধান্ত বদল করেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে খগেশ্বর রায়ের বাড়িতে দলের জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপসহ একাধিক শীর্ষ নেতা ও প্রার্থীরা উপস্থিত হন। নেত্রীর হস্তক্ষেপে দলের জেলা চেয়ারম্যান পদে বহাল থেকেই আসন্ন নির্বাচনে ঝাঁপিয়ে পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বর্ষীয়ান এই নেতা।
এক সাংবাদিক বৈঠকে খগেশ্বর জানান, আবেগতাড়িত হয়ে তিনি পদত্যাগের কথা বলেছিলেন। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে ফোন করে অভিভাবক হিসেবে রাজগঞ্জের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞ। দলের হয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করার পাশাপাশি জলপাইগুড়ির প্রার্থী কৃষ্ণ দাস এবং রাজগঞ্জের প্রার্থী স্বপ্না বর্মণের সমর্থনে জোরদার প্রচার চালাবেন বলে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন। দলত্যাগের জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে পুনরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন তিনি।
খগেশ্বরের এই প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে ঘাসফুল শিবির। জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপ তাঁকে দলের অভিভাবক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। নিজের এলাকায় বিজেপিকে রুখতে এবং দলীয় প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ী করতে তিনি এখনই মিছিলে নেমেছেন। রাজগঞ্জে স্বপ্না বর্মণকে প্রার্থী করায় যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল, খগেশ্বরের সক্রিয়তায় তা মিটে যাবে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। ফলে জলপাইগুড়ি জেলায় তৃণমূলের নির্বাচনী লড়াই আরও শক্তিশালী হলো।