মাত্র ১০ হাজার থেকে সাড়ে ৩ লাখের বেতন, ৫ বছরে ভাগ্য বদলাতে যে জাদুকরী ফর্মুলা মানলেন এই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার

কেরিয়ারের শুরুতে বেতনের চেয়ে কাজ শেখাকে প্রাধান্য দিলে সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো সম্ভব, তা প্রমাণ করলেন এক ভারতীয় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। ২০১৮ সালে কলেজ শেষ করার পর ২৫ হাজার টাকার লোভনীয় চাকরির অফার ফিরিয়ে দিয়ে বেঙ্গালুরুর একটি স্টার্টআপে মাত্র ১০ হাজার টাকা স্টাইপেন্ডে ইন্টার্নশিপ শুরু করেছিলেন তিনি। কঠোর পরিশ্রম আর নতুন প্রযুক্তি শেখার নেশাই মাত্র পাঁচ বছরের ব্যবধানে তার মাসিক বেতন ৩৫ গুণ বাড়িয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকায় পৌঁছে দিয়েছে।
ইন্টার্নশিপের কঠিন দিনগুলোতে নামমাত্র খরচে থেকে রিয়্যাক্ট (React) ও নোড জেএস (Node.js)-এর মতো জটিল প্রযুক্তি আয়ত্ত করেন তিনি। ২০১৯ সালে ২৫ হাজার টাকা বেতনে স্থায়ী চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর পর্যায়ক্রমে তার বেতন বাড়তে থাকে। তবে তার কেরিয়ারে বড় মোড় আসে যখন তিনি ব্লকচেইন টেকনোলজি শিখতে শুরু করেন। গিটহাব (GitHub) প্রজেক্ট ও অনলাইন কোর্সের মাধ্যমে নিজের দক্ষতাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান তিনি।
২০২২ সালে লিংকডইন-এর মাধ্যমে ফ্রান্সের একটি প্রতিষ্ঠান তাকে মাসে সাড়ে তিন লাখ টাকার রিমোট জবের প্রস্তাব দেয়। বর্তমানে তিনি নিজের স্টার্টআপ ‘টেকাস টেকনোলজিস’ (Teckas Technologies) নিয়ে ব্যস্ত, যা ভারতসহ ইউরোপ ও আমেরিকার ক্লায়েন্টদের পরিষেবা দিচ্ছে। এই সফল প্রকৌশলীর মতে, কেরিয়ারের শুরুতে অর্থের পেছনে না ছুটে দক্ষতা বৃদ্ধিতে মনোনিবেশ করাই ছিল তার জীবনের সেরা সিদ্ধান্ত। ক্রমাগত শেখার মানসিকতা থাকলে যে কেউ পেশাগত জীবনে অভাবনীয় উন্নতি করতে পারে।