মুম্বাই বিমানবন্দরে শুল্ক দপ্তরের বিরাট সাফল্য, কোটি কোটি টাকার সোনা ও মাদকসহ গ্রেপ্তার ৩ যাত্রী

মুম্বাই বিমানবন্দরে পাচারের বড়সড় ছক বানচাল করল শুল্ক দপ্তর। গত এক সপ্তাহে চালানো ধারাবাহিক অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ২৩.৫ কোটি টাকার মাদক, বিপুল পরিমাণ সোনা এবং অবৈধ ওষুধ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মুম্বাই কাস্টমস জোন-III-এর আধিকারিকরা এই বিশেষ অভিযান চালান।
হাইড্রোপনিক উইড ও মাদকের বড় চালান
সবচেয়ে বড় সাফল্য মিলেছে ব্যাংকক থেকে আসা তিন যাত্রীর কাছ থেকে। তাদের তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২৩.৫৯৩ কেজি ‘হাইড্রোপনিক উইড’ উদ্ধার করেছেন আধিকারিকরা। আন্তর্জাতিক বাজারে যার আনুমানিক মূল্য ২৩ কোটি ৫৯ লক্ষ টাকারও বেশি। অভিযুক্ত তিন পাচারকারীকে এনডিপিএস (NDPS) আইনের অধীনে তৎক্ষণাৎ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোনার বিস্কুট ও অবৈধ ওষুধ বাজেয়াপ্ত
মাদক ছাড়াও সোনা পাচারের তিনটি পৃথক ঘটনায় ৫৯১.৯ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া এই সোনার বাজারমূল্য প্রায় ৮৫.৩৫ লক্ষ টাকা। কোনো বৈধ নথিপত্র ছাড়াই এই সোনা লুকিয়ে দেশে আনার চেষ্টা করা হচ্ছিল। অন্যদিকে, উপযুক্ত লাইসেন্স ছাড়াই বিদেশে ওষুধ রপ্তানির চেষ্টার সময় আরও এক যাত্রীকে পাকড়াও করেন শুল্ক আধিকারিকরা। কাস্টমস অ্যাক্ট ১৯৬২ অনুযায়ী সেই সমস্ত ওষুধ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
কড়া নজরদারিতে কাস্টমস আধিকারিকরা
শুল্ক দপ্তর জানিয়েছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এপিআইএস (APIS) প্রোফাইলিং এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই চিরুনি তল্লাশি চালানো হয়। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই আন্তর্জাতিক পাচারচক্রের শিকড় খোঁজার চেষ্টা চলছে। আধিকারিকদের মতে, আগামী দিনে এই ঘটনায় আরও বড় কোনো তথ্য সামনে আসতে পারে।