মৃত্যুপুরী নাকি ঈশ্বরের আসন কেন আজও অপরাজিত কৈলাস পর্বত

এভারেস্ট জয় হলেও কেন হার মানল ২২ হাজার ফুটের কৈলাস? তিব্বতের এই রহস্যময় শৃঙ্গ নিয়ে বিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতার লড়াই আজও অমীমাংসিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬৬০০ মিটার উচ্চতার এই পাহাড়ে ওঠা মানেই নিশ্চিত মৃত্যু। কথিত আছে, ১১ শতকে বৌদ্ধ সন্ন্যাসী মিলারেপা ছাড়া আর কোনো মানুষ এর চূড়ায় পৌঁছাতে পারেননি। যারা চেষ্টা করেছেন, তারা হয় পথ হারিয়েছেন নয়তো চিরতরে হারিয়ে গেছেন তুষারধসে।
কৈলাসের চারটি দিক চারটি মূল্যবান রত্ন—সোনা, নীলকান্তমণি, স্ফটিক এবং চুনির প্রতীক। উত্তর দিক দেয় জ্ঞানের বার্তা, দক্ষিণ দিক প্রজ্ঞার, পূর্ব দিক আত্মোপলব্ধির এবং পশ্চিম দিক শক্তির প্রতীক। আশ্চর্যের বিষয়, এই পাহাড়ের ওপর দিয়ে কোনো হেলিকপ্টারও উড়তে পারে না। এর পাদদেশে থাকা মানস সরোবর সবসময় শান্ত থাকলেও পাশের রাক্ষসতাল কেন সারাক্ষণ উত্তাল থাকে, তা এক আদিম রহস্য। ধর্মীয় অনুভূতি ও অলৌকিক সব ঘটনার কারণে চীন সরকার এখানে আরোহণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে। পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত এই পর্বত আজও মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে এক ঐশ্বরিক বিস্ময়।