মোদী-নেতানিয়াহু বৈঠক: ভারত-ইজরায়েল প্রতিরক্ষা চুক্তিতে উদ্বেগ প্রকাশ পাকিস্তানের

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঐতিহাসিক ইজরায়েল সফর এবং বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানে তীব্র শোরগোল সৃষ্টি করেছে। ইজরায়েলি সংসদে মোদীর ভাষণ এবং সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলি ইসলামাবাদের নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলে মনে করছেন পাক রাজনীতিবিদরা। এই কূটনৈতিক ঘনিষ্ঠতা দুই দেশের কৌশলগত শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
ভারত-ইজরায়েল জোটের বিরোধিতা করে ২০২৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সেনেটে একটি সর্বসম্মত প্রস্তাব পাশ হয়েছে। সেনেটরদের অভিযোগ, নেতানিয়াহুর নীতি মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যের পরিপন্থী এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। পিপলস পার্টির সেনেটর পালওয়াশা খান এই সহযোগিতাকে একটি ‘বড় ষড়যন্ত্র’ হিসেবে অভিহিত করে দাবি করেছেন যে, এটি মুসলিম বিশ্বের জন্য হুমকিস্বরূপ।
বিতর্কের মূলে রয়েছে নেতানিয়াহুর প্রস্তাবিত ‘হেক্সাগন’ বা ষড়ভুজ জোটের তত্ত্ব, যা মৌলবাদী শক্তির বিরুদ্ধে ভারত ও আরব দেশগুলোকে একত্রিত করার ইঙ্গিত দেয়। পাকিস্তানি মিডিয়া এই অংশীদারিত্বকে ‘হিন্দুত্ব’ ও ‘জায়নবাদ’-এর সমন্বয় হিসেবে বর্ণনা করছে। তাদের মতে, এই কৌশলগত পদক্ষেপ পাকিস্তান ও চিনের বিরুদ্ধে একটি বিশ্ব রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগের কারণ।