যুদ্ধকালীন গ্যাস সংকটে ভারত, শিল্প ও কৃষি বাঁচাতে কেন্দ্রের বিশেষ পরিকল্পনা

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের প্রভাবে ভারতে প্রাকৃতিক গ্যাসের (LNG) সরবরাহ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে আমদানি ৪০ শতাংশ হ্রাস পাওয়ায় জ্বালানি গ্যাসের দাম একধাক্কায় ৬০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই গুরুতর পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক দেশের শিল্প ও উৎপাদন ক্ষেত্র সচল রাখতে একটি বিশেষ বণ্টন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
সরকারি সূত্র অনুযায়ী, সার উৎপাদনকারী সংস্থাগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে মঙ্গলবার থেকে নতুন বিতরণ ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে। যদিও এর ফলে সার উৎপাদনে সাময়িক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, তবে বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত সারের মজুত থাকায় কৃষি কাজে কোনো সমস্যা হবে না। গত বছরের তুলনায় সারের মজুত ৩৬.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৭.৭ মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে, যা খরিফ মরসুমের চাহিদা মেটাতে সক্ষম।
গ্যাসের এই ঘাটতি মেটাতে ভারত এখন বিকল্প উৎসের সন্ধান করছে। কাতার থেকে ইউরিয়া উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬০ শতাংশ গ্যাস আসত, যা বর্তমানে অনিশ্চিত। এই শূন্যতা পূরণে অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার মতো দেশগুলো থেকে অতিরিক্ত গ্যাস আমদানির চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্র। সরকার আশ্বস্ত করেছে যে, সরবরাহ শৃঙ্খলে আঘাত এলেও দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।