যুবশ্রী প্রকল্পে বড় আপডেট, এপ্রিলে কি অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ১৫০০ টাকা জেনে নিন দিনক্ষণ

যুবশ্রী প্রকল্পে বড় আপডেট, এপ্রিলে কি অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ১৫০০ টাকা জেনে নিন দিনক্ষণ

পশ্চিমবঙ্গের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য পরিচালিত ‘যুবশ্রী’ বা ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের মাসিক ভাতা নিয়ে বর্তমানে রাজ্যজুড়ে প্রবল জল্পনা তৈরি হয়েছে। প্রতি মাসে সাধারণত ১০ তারিখের মধ্যে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫০০ টাকা পৌঁছে যায়। তবে লোকসভা নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর থাকায় এপ্রিল মাসে এই ভাতার টাকা পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। বিশেষ করে এই সময় নতুন কোনও সরকারি আর্থিক সুবিধা বিতরণে বিধিনিষেধ থাকার সম্ভাবনা থাকায় উপভোক্তাদের মনে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাজ্যে চালু হওয়া এই প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করেন ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী লক্ষ লক্ষ বেকার যুবক। গত কয়েক বছরে কন্যাশ্রী, রূপশ্রী ও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো যুবশ্রী প্রকল্পটিও জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছেছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সাময়িকভাবে ভাতা প্রদান স্থগিত থাকতে পারে বলে বিভিন্ন মহলে শোনা যাচ্ছে। সাধারণত নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা বা বিশেষ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অনেক ক্ষেত্রে প্রকল্পের টাকা সরাসরি হস্তান্তর করা সম্ভব হয় না।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যারা আবেদন করা সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত টাকা পাননি, তাঁদের তথ্যগত ত্রুটি বা ‘ডুপ্লিকেট’ আবেদনের সমস্যা থাকতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে, এই ধরনের সমস্যাগুলি দ্রুত সংশোধন করে নেওয়া হবে এবং যোগ্য সকল আবেদনকারীই প্রকল্পের আওতাভুক্ত হবেন। রাজ্য প্রশাসনের লক্ষ্য হলো স্বচ্ছতার সাথে প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে এই আর্থিক সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়া।

নির্বাচনী আবহে এই সাময়িক বিলম্ব নিয়ে উপভোক্তাদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। রাজ্য সরকার এই প্রকল্পগুলি নিয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং আইনি জটিলতা কাটলেই বকেয়া টাকা পুনরায় অ্যাকাউন্টে ক্রেডিট হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। যুবশ্রী প্রকল্পের পরবর্তী আপডেট পেতে উপভোক্তাদের নিয়মিত সরকারি পোর্টাল বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নজর রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। নিশ্চিত করা হয়েছে যে, যোগ্য প্রত্যেকের প্রাপ্য ভাতা সঠিক সময়েই বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *