রক্ত নিলেই কি ঘনাচ্ছে বিপদ? থ্যালাসেমিয়া রোগীদের শরীরে মারণ এইচআইভি থাবা

রক্ত নিলেই কি ঘনাচ্ছে বিপদ? থ্যালাসেমিয়া রোগীদের শরীরে মারণ এইচআইভি থাবা

ফরিদাবাদ: রক্তদান শিবিরে বা হাসপাতালে রক্ত নেওয়ার আগে সাবধান! ফরিদাবাদে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত দুই রোগীর শরীরে থাবা বসিয়েছে মারণ এইচআইভি (HIV)। অভিযোগ, ব্লাড ট্রান্সফিউশনের মাধ্যমেই তাঁদের শরীরে এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছে ১১ বছরের এক কিশোরী এবং ২২ বছরের এক যুবক। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে স্বাস্থ্য মহলে।

তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

ফরিদাবাদের বাদশা খান সিভিল হাসপাতালে নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার সময় এই আঁতকে ওঠার মতো তথ্য সামনে আসে। জানা গেছে, গত এক বছরে ওই কিশোরীর অন্তত ১৫ বার এবং যুবকের প্রায় ২৫ বার রক্তবদল করা হয়েছিল। স্বাস্থ্য আধিকারিকদের প্রাথমিক অনুমান, কোনো এক বার ‘উইন্ডো পিরিয়ড’-এ থাকা দাতার রক্ত দেওয়ার ফলেই এই বিপর্যয় ঘটেছে।

তদন্তের পরিধি দিল্লি থেকে বিহার

আক্রান্তরা ফরিদাবাদ ছাড়াও দিল্লি এবং পাটনার বিভিন্ন হাসপাতালে রক্ত নিয়েছিলেন। ফলে সংক্রমণের উৎস খুঁজতে ভিনরাজ্যের হাসপাতাল ও ব্লাড ব্যাঙ্কগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করছে হরিয়ানা স্বাস্থ্য দফতর। তবে নির্দিষ্ট কোন দাতার রক্ত থেকে এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে, তা চিহ্নিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

নিরাপদ রক্ত নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

এই ঘটনার পর দেশজুড়ে ব্লাড ব্যাঙ্কগুলিতে বাধ্যতামূলক ‘নিউক্লিক অ্যাসিড টেস্টিং’ (NAT) চালুর দাবি জোরালো হচ্ছে। সাধারণ স্ক্রিনিং পরীক্ষায় অনেক সময় প্রাথমিক পর্যায়ের সংক্রমণ ধরা পড়ে না, যা NAT পদ্ধতিতে সম্ভব। বর্তমানে আক্রান্তদের অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি (ART) শুরু করা হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *