রাজভবনে এবার কড়া শাসকের এন্ট্রি, শপথের আগেই মমতার কপালে চিন্তার ভাঁজ

রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের আসনে রদবদল ঘিরে সরগরম বাংলার রাজনীতি। জগদীপ ধনখড় জমানার সেই সংঘাতময় দিনগুলোর স্মৃতি কি আবার ফিরতে চলেছে? রাজনৈতিক মহলে এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে। সিভি আনন্দ বোসের বিদায়ের পর পশ্চিমবঙ্গের অস্থায়ী রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন আরএন রবি। আজ কিছুক্ষণের মধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে শপথ নেবেন তিনি।
ইতিমধ্যেই রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছেন আরএন রবি। তবে তার দায়িত্ব গ্রহণকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক মন্তব্যে নতুন রাজ্যপালকে নিয়ে এক ধরণের অস্বস্তি ও আশঙ্কার সুর স্পষ্ট। তাকে ‘বিজেপির প্যারেড করা লোক’ বলে কটাক্ষ করেছেন প্রশাসনিক প্রধান। নবান্ন ও রাজভবনের সম্পর্কে যে নতুন করে টানাপোড়েন শুরু হতে পারে, মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণাত্মক অবস্থান সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
অন্যদিকে বিরোধীরা এই পরিবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের দাবি, জগদীপ ধনখড়ের পর এবার আরএন রবির মতো ব্যক্তিত্ব রাজভবনে আসায় রাজ্যের শাসক দলের ‘একচেটিয়া’ প্রভাবে রাশ টানা সম্ভব হবে। বিরোধীদের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বর্তমান আক্রমণ আসলে এক ধরণের রাজনৈতিক আতঙ্ক থেকেই তৈরি হচ্ছে। রাজ্যপালের মতো একটি সাংবিধানিক পদকে জনসমক্ষে নিশানা করাকে ভালো চোখে দেখছে না রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন দেখার, শপথ নেওয়ার পর বাংলার প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনে আরএন রবি ঠিক কী ভূমিকা পালন করেন।