রাজ্যে একের পর এক স্কুল বন্ধ হচ্ছে, সিউড়ির সভা থেকে মমতাকে কড়া তোপ মোদীর

বীরভূমের সিউড়িতে এক জনসভায় রাজ্যের বর্তমান শিক্ষা পরিস্থিতি নিয়ে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বীরভূমের মাটির গৌরবময় ইতিহাসের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই মাটিই বিশ্বভারতীর মতো বিশ্ববিখ্যাত প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছে। কিন্তু বর্তমানে সেই ঐতিহ্যের জেলা থেকেই পড়ুয়ারা বাধ্য হয়ে বাইরে চলে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, বীরভূম জেলাসহ পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর হাল অত্যন্ত শোচনীয়। একের পর এক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়াকে তিনি অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ও দুঃখজনক হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
শিক্ষা ব্যবস্থার এই অবনতির পেছনে মূলত প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতা ও যথাযথ তদারকির অভাবকেই দায়ী করা হচ্ছে। স্থানীয় স্তরে কর্মসংস্থান ও উন্নত উচ্চশিক্ষার অভাব পড়ুয়াদের ভিনরাজ্যে পাড়ি দিতে বাধ্য করছে, যা এই অঞ্চলের মেধা ও সাংস্কৃতিক বিকাশের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতার মূল বিষয়সমূহ
- বিশ্বভারতীর ঐতিহ্যের জেলা থেকে ছাত্রছাত্রীদের পলায়ন নিয়ে গভীর উদ্বেগ।
- রাজ্য ও জেলা স্তরে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ।
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের করুণ অবস্থার কারণে শিক্ষার গুণগত মান নিম্নমুখী।
- স্থানীয় শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য নতুন করে ভাবনার তাগিদ।
শিক্ষা সংকটের সম্ভাব্য প্রভাব
স্কুল বন্ধ হওয়া এবং শিক্ষার্থীদের এই গণপ্রস্থান দীর্ঘমেয়াদে বীরভূম তথা পুরো বাংলার মেধা ও সংস্কৃতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, যদি এখনই সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, তবে এই সংকট আরও ঘনীভূত হবে এবং রাজ্যের তরুণ প্রজন্ম পিছিয়ে পড়বে।
একঝলকে
- বীরভূমের সিউড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সভা।
- বিশ্বভারতীর জেলার শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন।
- একের পর এক স্কুল বন্ধ হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর আশঙ্কা।
- পড়ুয়াদের অন্য জেলায় বা রাজ্যে চলে যাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি।