লস্করের খাসতালুকে রক্তের হোলি! ঈদের নামাজের পরেই খতম কমান্ডার বিলাল আরিফ সালাফি

পাকিস্তানের মুরিদকে শহরে লস্কর-ই-তৈবার প্রধান ঘাঁটি ‘মারকাজ তইবা’র ভেতরেই কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল। জঙ্গি সংগঠনের এই সুরক্ষিত দুর্গের মধ্যেই দিনদুপুরে নৃশংসভাবে খুন করা হলো শীর্ষ লস্কর কমান্ডার বিলাল আরিফ সালাফিকে। শনিবার ঈদের নামাজ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীরা তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি অনুযায়ী, প্রথমে বন্দুকধারীরা বিলালকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করতে সবার সামনেই তাকে ধারালো ছুরি দিয়ে কোপানো হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে দীর্ঘদিনের এই লস্কর নেতা। ঘটনার একটি শিউরে ওঠা ভিডিও ইতিমধ্য়েই সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে গোটা পাকিস্তানে তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
বিলাল আরিফ সালাফি লস্করের অত্যন্ত প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিল। তরুণদের মগজধোলাই করে কাশ্মীরে জিহাদি কার্যকলাপে শামিল করার মূল কারিগর ছিল সে। যে চত্বরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, সেই মারকাজ তইবা গত বছর ভারতীয় সেনার ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ ধ্বংস হয়েছিল। নতুন করে গড়ে তোলা সেই ঘাঁটিতেই লস্কর কমান্ডারের এমন পরিণতিতে ঘনিয়ে উঠছে রহস্য। এটি সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল নাকি বাইরের কোনো শক্তির অপারেশন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।