শান্তি চায় ইরান তবে ট্রাম্পের হুমকিতে ঘনীভূত যুদ্ধের মেঘ

ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি আর ইজরায়েলি হামলার মুখে সুর নরম করলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তেহরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে আলোচনার টেবিলে বসতে রাজি হলেও বিনিময়ে চেয়েছে কড়া নিরাপত্তার গ্যারান্টি। তবে আব্বাস আরাঘচি স্পষ্ট করেছেন, আলোচনার অর্থ এই নয় যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সখ্যতা তৈরি হচ্ছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় সাফ জানিয়েছেন, দ্রুত কোনো চুক্তিতে না পৌঁছালে ইরানের তেল খনি, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে ভয়াবহ হামলা চালানো হবে। ইতিমধ্যেই ১৩ হাজার লক্ষ্যে আঘাত হেনেছে আমেরিকা ও ইজরায়েল। নেতানিয়াহুর দাবি, এই অভিযান ইরান শাসনের পতন না হওয়া পর্যন্ত থামবে না।
অন্যদিকে যুদ্ধের ৩২তম দিনে এসে তেহরান সহ একাধিক ইরানি শহরে ঘনিয়ে এসেছে মানবিক সংকট। চরম বিদ্যুৎ বিভ্রাট, ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট আর একের পর এক বিস্ফোরণে বিপর্যস্ত জনজীবন। ইরানের বিপ্লবী গার্ড পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে, যদি আর কোনো ইরানি নেতা প্রাণ হারান তবে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সংস্থাগুলো নিস্তার পাবে না। হরমজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করা নিয়ে বিশ্বের নজর এখন তেহরানের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।