শুধু ঘুম নয়, শরীর ও মন চাঙ্গা রাখতে প্রয়োজন ৭ ধরনের বিজ্ঞানসম্মত বিশ্রাম

অফিস বা বাড়ির কাজের চাপে সারাদিন ছোটাছুটির পর রাতে আট ঘণ্টা ঘুমিয়েও অনেকের ক্লান্তি কাটে না। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান ও আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (APA) জানাচ্ছে, সুস্থ থাকতে কেবল ঘুমই যথেষ্ট নয়। ঘুমের মাধ্যমে শরীর কোষ মেরামত ও স্মৃতি গুছিয়ে রাখলেও, প্রকৃত সতেজতার জন্য প্রয়োজন আরও গভীর কিছু। মূলত মানসিক ও আধ্যাত্মিক সংযোগের অভাব থাকলে পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও শরীরে ‘বার্নআউট’ বা চরম অবসাদ তৈরি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্লান্তি দূর করতে সাতটি বিশেষ ধরনের বিশ্রামের প্রয়োজন রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাতে ঘুমের মতো নিষ্ক্রিয় বিশ্রামের পাশাপাশি যোগব্যায়াম বা স্ট্রেচিংয়ের মতো সক্রিয় ‘শারীরিক বিশ্রাম’। এছাড়া কাজের মাঝে বিরতি নেওয়া বা ‘মানসিক বিশ্রাম’, ডিজিটাল গ্যাজেট থেকে দূরে থাকা তথা ‘ইন্দ্রিয়গত বিশ্রাম’ এবং মনের আসল অনুভূতি প্রকাশ বা ‘আবেগগত বিশ্রাম’ অত্যন্ত জরুরি। এই বৈচিত্র্যময় পদ্ধতিগুলো মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
সামাজিক ও সৃজনশীল প্রশান্তির জন্য নেতিবাচক সম্পর্ক এড়িয়ে চলা এবং প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটানো প্রয়োজন। সবশেষে প্রার্থনা বা ধ্যানের মাধ্যমে ‘আধ্যাত্মিক বিশ্রাম’ গ্রহণ করলে মনে গভীর শান্তি ও জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়া যায়। আলঝাইমার্স বা পার্কিনসনসের মতো রোগের ঝুঁকি কমাতে দৈনিক রুটিনে এই সাতটি বিশ্রামকে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। মনে রাখবেন, বিশ্রাম কোনো অলসতা নয়, বরং এটি পূর্ণ শক্তিতে কাজে ফেরার একটি বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া।