সঙ্গীর নাক ডাকা না পোষ্যের সান্নিধ্য? মহিলারা কার পাশে ঘুমানোকে বেশি নিরাপদ মনে করেন জানলে অবাক হবেন

সঙ্গীর নাক ডাকা না পোষ্যের সান্নিধ্য? মহিলারা কার পাশে ঘুমানোকে বেশি নিরাপদ মনে করেন জানলে অবাক হবেন

সারাদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে এক চিলতে শান্তির ঘুম সবারই কাম্য। অনেকেই মনে করেন, দিন শেষে জীবনসঙ্গী বা প্রিয় মানুষের পাশে ঘুমানোই বোধহয় সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণা এই প্রচলিত ধারণাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। নিউইয়র্কের কেনিসিয়স বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এক চমকপ্রদ তথ্য। মহিলারা তাঁদের স্বামী বা বয়ফ্রেন্ডের চেয়ে পোষ্য কুকুরের পাশে ঘুমাতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য এবং নিরাপদ বোধ করেন।

গবেষকদের মতে, এই পছন্দের পেছনে রয়েছে বেশ কিছু জোরালো কারণ। সমীক্ষায় দেখা গেছে, পুরুষ সঙ্গীদের তুলনায় পোষ্য কুকুররা ঘুমের সময় অনেক কম ব্যাঘাত ঘটায়। পুরুষ সঙ্গীদের নাক ডাকার সমস্যা অনেক সময় মহিলাদের গভীর ঘুমে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, যা পোষ্যদের ক্ষেত্রে হয় না। এছাড়া কুকুর একটি নির্দিষ্ট রুটিন মেনে ঘুমায়, যা পরোক্ষভাবে মালিকের ঘুমের স্থায়িত্ব ও মান বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

মানসিক প্রশান্তি ও নিরাপত্তার নিরিখেও পোষ্যরা এগিয়ে রয়েছে। মহিলারা জানিয়েছেন, প্রিয় সারমেয় পাশে থাকলে তাঁরা নিজেদের বেশি সুরক্ষিত মনে করেন। কুকুরের শান্ত উপস্থিতি তাঁদের দুশ্চিন্তা কমিয়ে গভীর ও আরামদায়ক ঘুমে সাহায্য করে। ফলে ঘুমের গুণগত মান বাড়ে এবং পরের দিন সকালে তাঁরা অনেক বেশি সতেজ অনুভব করেন। সঙ্গীর চেয়ে পোষ্যের প্রতি এই অগাধ আস্থা ও নির্ভরতাই এখন আধুনিক জীবনযাত্রার এক নতুন দিক উন্মোচন করেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *