সিবিএসই স্কুলে ক্লাস ৩ থেকে ৮ পর্যন্ত এআই সিলেবাস চালুর ঘোষণা করলেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান

ভারতের স্কুলপড়ুয়াদের বিশ্বমানের এবং অত্যাধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের মধ্যে ‘শিক্ষায় এআই’ এবং ‘শিক্ষার জন্য এআই’—এই দুটি মূল লক্ষ্য অর্জনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান দিল্লি থেকে এই নতুন উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন। সিবিএসই-র একটি বিশেষজ্ঞ একাডেমিক কমিটি ৩য় থেকে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য এই বিশেষ প্যাকেজটি তৈরি করেছে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, ভারতকে একটি বৈশ্বিক ‘এআই সুপার-হাব’ হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য। নতুন প্রজন্মকে শৈশব থেকেই এই প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে না দিলে বিশ্বমঞ্চে বড় প্রভাব ফেলা সম্ভব নয়। এই উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য তিনি সিবিএসই এবং এনসিইআরটি-কে সাধুবাদ জানান। পাশাপাশি, এনসিইআরটি-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন রাজ্যের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় রেখে চলতি শিক্ষাবর্ষের মধ্যেই এই পাঠ্যক্রম আঞ্চলিক ভাষাগুলোতে অনুবাদ করে দ্রুত কার্যকর করা হয়।
শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জয়ন্ত চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘কম্পিউটেশনাল থিংকিং এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ শীর্ষক এই পাঠ্যক্রম সারা দেশের সিবিএসই স্কুলগুলোতে চালু হবে। জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শৈশব থেকেই উদীয়মান প্রযুক্তির প্রাথমিক জ্ঞান এবং বিশ্লেষণাত্মক দক্ষতা বৃদ্ধি করা হবে। মূলত ৩য় থেকে ৮ম শ্রেণির পড়ুয়াদের ডিজিটাল সক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতেই এই বিশেষ পাঠ্যক্রমের পরিকল্পনা করা হয়েছে।